রমজান মাসে রোজা রাখা শুধু ক্ষুধা ও তৃষ্ণা সহ্য করার নাম নয়; এটি তাকওয়া অর্জন, আত্মশুদ্ধি এবং আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের এক মহৎ ইবাদত। ইসলামে রোজার মর্যাদা এত বেশি যে আল্লাহ তাআলা নিজেই এর প্রতিদান দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। হাদিসে রোজাদারদের জন্য অসংখ্য পুরস্কার ও সুসংবাদ বর্ণিত হয়েছে।
১)রোজাদারদের সম্মানার্থে জান্নাতে একটি বিশেষ দরজা থাকবে।আল্লাহ বলেছেন:
“জান্নাতে ‘আর-রাইয়ান’ নামের একটি দরজা আছে। কিয়ামতের দিন রোজাদাররা সে দরজা দিয়ে প্রবেশ করবে। তাদের ছাড়া আর কেউ সে দরজা দিয়ে প্রবেশ করতে পারবে না।”
২)“রোজাদারের জন্য দুটি আনন্দ রয়েছে: একটি ইফতারের সময় এবং অন্যটি তার রবের সাথে সাক্ষাতের সময়।”
“রোজাদারের মুখের গন্ধ আল্লাহর নিকট মেশকের সুঘ্রাণের চেয়েও প্রিয়।”
৩)রোজা আত্মসংযম শেখায়, যা মানুষকে পাপ থেকে দূরে রাখে এবং আল্লাহভীতি (তাকওয়া) অর্জনে সাহায্য করে। রমজানে ইমান ও সওয়াবের আশায় রোজা রাখলে পূর্বের গুনাহ ক্ষমা করার সুসংবাদও হাদিসে এসেছে
রোজা এমন একটি ইবাদত যার প্রতিদান আল্লাহ তাআলা নিজ হাতে প্রদান করবেন। জান্নাতের বিশেষ দরজা, গুনাহ মাফ, জাহান্নাম থেকে সুরক্ষা এবং আল্লাহর সন্তুষ্টি — এগুলোই রোজাদারের জন্য মহান উপহার। তাই আমাদের উচিত শুধু রোজা রাখা নয়,বরং রোজার প্রকৃত উদ্দেশ্য অর্জন করা।